বাংলা পয়গাম
https://poygambd.blogspot.com/2022/04/blog-post_4.html
ইফতারিতে কি খাওয়াবেন
ইফতারিতে কি খাওয়াবেন কতটুকু খাবেন এ বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করব।
প্রথমেই বলি ইফতারিতে কি খাওয়াবেন।
অনেকেই ইফতারি শুরু করেন খেজুর দিয়ে এটা খুব ভাল অভ্যাস। খেজুরের নেশনাল সুগার আছে যেটা সারাদিনের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করে।
সাথে ফাইবার বা আশ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ রয়েছে। ফাইবার হজমের জন্য খুবই উপকারী আমরা অনেকেই ফাইবারযুক্ত খাবার খায় না। খেজুর আমাদের সেদিকে কাজে আসবে।এবং রোজায় যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় তাদের খুব উপকারে আসবে। তাছাড়াও খেজুর দিয়ে ইফতারি করা সুন্নাত।
অনেকেই ইফতারের সাথে সাথে শরবত অথবা চিনি দিয়ে বানানো জুস খান। এর বদলে পানি খেতে পারেন। কেননা চিনি আমাদের শরীরে কোন উপকারে আসে না আরো শরীরের ক্ষতি করে। যেমন ওজন বেড়ে যাওয়া, হার্টের রোগ, ইত্যাদি। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে। বাজার থেকে কেনা জুস বা ফলের রস খাবেন না। কেননা এতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল দেয়া হয়। এর বদলে বাড়িতে ফল দিয়ে বানানো জুস খেতে পারেন তবে চিনি খুব কম দেবেন। যাদের সামর্থ্য আছে তারা ডাবের পানি খেতে পারেন কেননা ডাবের পানিতে পটাশিয়াম রয়েছে। এবং সারাদিন ঘামের সাথে যে পানিশূন্যতা হয়েছে তা পূরণে সহযোগিতা করবে।
এরপরে ফল খেতে পারেন আমি কোন একটা দুইটা ফলের নাম বলছি না যেটা সামর্থ্য হয় সেটা কিনে খাবেন।
সতর্কতাঃ
অনেকেই এই সময় পিয়াজু বা চাপ বা বিভিন্ন ভাজা ভাজা খেয়ে থাকেন এগুলো খাবেন না। কেননা এগুলো ডুবো তেলে ভাজা। স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। সাথে জিলাপি ও বন্দিয়া না খাবার পরামর্শ দিচ্ছি কেননা এগুলো ডুবো তেলে ভাজা আবার চিনি দাও।
এরপরে আর কিছু না খাওয়াই ভালো অনেকে এ সময় হাটাহাটি বা নামাজ পড়েন এটা খুব ভালো অভ্যাস । কিন্তু মাঝে মাঝে পানি খাবেন পিপাসা থাক বা না থাক। তারাবির নামাজ যেহেতু অনেক লম্বা একটা নামাজ এর মাঝে মাঝে পানি খাওয়ার চেষ্টা করবেন। যাতে করে আমাদের শরীরে কোন পানিশূন্যতা দেখা না দেয়।
রাতের খাবার বা সেহরিতে প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি খাবার চেষ্টা করবেন ।

0 Comments
দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন