বাংলা পয়গাম https://poygambd.blogspot.com/2022/04/blog-post_83.html

অনুকে বিভক্ত করা যায়

 আগেকার মানুষ মনে করত অনুকে বিভক্ত করা যায় না কিন্তু এখনকার বিজ্ঞান বলেন অনুকে বিভক্ত করা যায়। আজকে আমরা আলোচনা করব এ বিষয়ে কোরআন কি বলে।
অনুকে বিভক্ত করা যায়


প্রাচীন যুগে ‘অণুতত্ব’ নামে একটি তত্ব ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছে।২৩০০ বছর আগে, গ্রীকদেশীয় এ তত্বটি যিনি দেন,তার নাম,Democritus।ডেমোক্রিটাস ও তার পরবর্তী যুগের লোকেরা মনে করত যে,বস্তুর সর্বাধিক ক্ষুদ্র একক হচ্ছে,অণু।প্রাচীন আরবরাও তা বিশ্বাস করত।আরবী শব্দ (আরবী) এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে,অণু।সম্প্রতি,আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে, বিভক্ত করা যায়।অণুকে বিভক্ত করার বিষয়টি বিংশ শতাব্দীর আবিষ্কার।আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এ শব্দটি আরবদের কাছেও ছিল অসাধারণ।কেননা,কেউ (আরবী )শব্দের সীমাবদ্ধ অর্থের গতি অতিক্রম করতে পারেনি।কোরআনের নিম্নের আয়াতটি (আরবী ) শব্দের এই সীমা স্বীকার করেনা।আল্লাহ বলেনঃ

وَ مَا تَکُوۡنُ فِیۡ شَاۡنٍ وَّ مَا تَتۡلُوۡا مِنۡہُ مِنۡ قُرۡاٰنٍ وَّ لَا تَعۡمَلُوۡنَ مِنۡ عَمَلٍ اِلَّا کُنَّا عَلَیۡکُمۡ شُہُوۡدًا  اِذۡ تُفِیۡضُوۡنَ فِیۡہِ ؕ وَ مَا یَعۡزُبُ عَنۡ رَّبِّکَ مِنۡ مِّثۡقَالِ  ذَرَّۃٍ فِی الۡاَرۡضِ وَ لَا فِی السَّمَآءِ وَ لَاۤ اَصۡغَرَ مِنۡ ذٰلِکَ وَ لَاۤ اَکۡبَرَ   اِلَّا  فِیۡ  کِتٰبٍ  مُّبِیۡنٍ  

কাফিরেরা বলেঃ আমাদের উপর কিয়ামাত আসবেনা। বলঃ আসবেই, শপথ আমার রবের! নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ওটা আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্বন্ধে সম্যক পরিজ্ঞাত; আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে তাঁর অগোচর নয় অণু পরিমাণ কিছু কিংবা তদপেক্ষা ক্ষুদ্র অথবা বৃহৎ কিছু; বরং ওর প্রত্যেকটি লিপিবদ্ধ আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।( সূরা সাবা-৩)

 وَ مَا تَکُوۡنُ فِیۡ شَاۡنٍ وَّ مَا تَتۡلُوۡا مِنۡہُ مِنۡ قُرۡاٰنٍ وَّ لَا تَعۡمَلُوۡنَ مِنۡ عَمَلٍ اِلَّا کُنَّا عَلَیۡکُمۡ شُہُوۡدًا  اِذۡ تُفِیۡضُوۡنَ فِیۡہِ ؕ وَ مَا یَعۡزُبُ عَنۡ رَّبِّکَ مِنۡ مِّثۡقَالِ  ذَرَّۃٍ فِی الۡاَرۡضِ وَ لَا فِی السَّمَآءِ وَ لَاۤ اَصۡغَرَ مِنۡ ذٰلِکَ وَ لَاۤ اَکۡبَرَ   اِلَّا  فِیۡ  کِتٰبٍ  مُّبِیۡنٍ

আর তুমি যে অবস্থায়ই থাক না কেন, আর যে কোন অংশ হতে কুরআন পাঠ কর এবং তোমরা (অন্যান্য লোক) যে কাজই কর, আমার কাছে সব কিছুরই খবর থাকে, যখন তোমরা সেই কাজ করতে শুরু কর। কণা পরিমাণও কোন বস্তু তোমার রবের (জ্ঞানের) অগোচর নয় - না যমীনে, না আসমানে। আর তা হতে ক্ষুদ্রতর, কিংবা বৃহত্তর, সমস্তই সুস্পষ্ট কিতাবে (কুরআনে) লিপিবদ্ধ রয়েছে।(সূরা ইউনুছ- ৬১)।

এআয়াত আল্লাহর সর্বজ্ঞান এবং প্রকাশ্য ও গোপন সকল কিছু সম্পর্কে অবগতির কথা উল্লেখ আছে।আয়াত আরো বলা হয়েছে,আল্লহ অণু অপেক্ষা ছোট বড় সকল কিছু সম্পর্কে জ্ঞাত।আয়াত পরিষ্কার বলেছে যে, কোন জিনিস অণু অপেক্ষাও ক্ষুদ্র আছে।অণু অপেক্ষা ক্ষুদ্র জিনিসের অস্তিত্ব আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার। 

 এখানে সুস্পষ্ট বলা হয়েছে যে অণুর থেকে ও ক্ষুদ্র জিনিস আছে। এর জন্য তাফসীরের কনো প্রয়োজন নেই? 

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

MD.julker nine
পোস্ট করেছেনঃ MD.julker nine
পোস্ট ক্যাটাগরিঃ
0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

 عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَبْعَةً ، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ وَلا بِالْ...

টেক জান প্রো কী?